এর আগে, গতকাল মঙ্গলবার ক্যাম্পাসে সংঘটিত এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে শিক্ষক পরিষদ এক প্রেস বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে।
বিজ্ঞপ্তিতে ১৬তম বিসিএস (সাধারণ শিক্ষা) ক্যাডারের সদস্য ও মাদ্রাসার অধ্যক্ষ অধ্যাপক মোহাম্মদ ওবায়দুল হককে গুরুতর আহত করার ঘটনাকে শিক্ষা ও আইনের শাসনের ওপর সরাসরি আঘাত হিসেবে উল্লেখ করা হয়।
শিক্ষক পরিষদের সম্পাদক মুহাম্মদ মহসীন কবীর স্বাক্ষরিত ওই বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, একটি শীর্ষস্থানীয় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধান ও সংশ্লিষ্টদের ওপর এ ধরনের ন্যক্কারজনক হামলা অত্যন্ত উদ্বেগজনক। মাদ্রাসা-ই-আলিয়া সর্বদা নিরাপদ ও শিক্ষাবান্ধব পরিবেশ বজায় রাখতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। অনতিবিলম্বে এ জাতীয় সহিংসতা ও আইনবহির্ভূত কর্মকাণ্ড বন্ধে কঠোর প্রশাসনিক পদক্ষেপ গ্রহণ করা প্রয়োজন।
এছাড়া শিক্ষক পরিষদের ৩ দফা দাবির কথা উল্লেখ করা হয়েছে। দাবিগুলো হচ্ছে- ‘সংঘটিত ন্যক্কারজনক ঘটনার দ্রুত, নিরপেক্ষ ও বস্তুনিষ্ঠ তদন্ত নিশ্চিত করতে হবে’, ‘ঘটনার সাথে জড়িত প্রকৃত দোষীদের দ্রুত চিহ্নি ত করে আইনের আওতায় এনে কঠোর শাস্তি প্রদান করতে হবে’, ‘শিক্ষক-শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের সার্বিক নিরাপত্তা বিধানসহ শিক্ষাঙ্গণে স্বাভাবিক ও সুষ্ঠু পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে’।

